রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে প্রাণ হারাচ্ছে ১৭ জন

খুলনার কাগজ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার:গত এক বছরে সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ হাজার ৩৭১টি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৬ হাজার ২৮৪ জন। সেই হিসাবে গড়ে প্রতিদিন ১৭ জন প্রাণ হারাচ্ছেন। এক বার্ষিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সংলাপে’ এ তথ্য জানানো হয়। যৌথভাবে এর আয়োজন করে বাংলাদেশ ইনিশিয়েটিভ এবং সেবক ও ড্রাইভার্স ট্রেনিং সেন্টার।

সড়ক দুর্ঘটনার এক বার্ষিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত এক বছরে দেশে পাঁচ হাজার ৩৭১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬ হাজার ২৮৪ জন নিহত এবং ৭ হাজার ৪৬৮ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া এসব দুর্ঘটনায় শারীরিকভাবে অক্ষম হয়েছেন সাড়ে ১২ হাজার জন। মৃত্যুর হিসেবে দেশে গত এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১৭ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

গবেষক কাজী আবুল আল আতাহিয়া বলেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে আমরা যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলা করতে পারি। যার প্রমাণ করোনা মহামারি মোকাবিলা। কিন্তু আমরা সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কাজ করছি না। এ বিষয়ে নজর দেওয়া দরকার। এজন্য চালকদের নিরাপদ গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং তাদের সুষ্ঠু-সুন্দর জীবনের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রশিক্ষক হিসেবে নারীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কারণ, নারীরা সমাজের অর্ধেক। এজন্য সরকারি-বেসরকারি ও ব্যক্তিগত পৃষ্ঠপোষকতা দরকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. শামছুল হক বলেন, প্রশিক্ষিত ও দক্ষ চালক তৈরি করতে না পারলে দুর্ঘটনা আরও বাড়বে। চালককে আগে ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এরপর তাকে চালকের লাইসেন্স দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআরটিএ) আরও সচেতন হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে খান মোহাম্মদ বাবুল বলেন, ডোপ টেস্টের নামে চালকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিছু মাদকসেবী চালকের জন্য কেন সব চালককে এ হয়রানি ভোগ করতে হবে। রাস্তায় এলইডি লাইটের কারণে চালকরা গাড়ি চালাতে পারেন না। সরকারকে বলবো- এলইডি লাইট আমদানি বন্ধ করুন, তাহলে সড়কে দুর্ঘটনা কমবে।

সংলাপে সেবকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান মোহাম্মদ বাবুলের সভাপতিত্ব ও পার্থ সারথি দাসের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন- ড্রাইভার্স ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক নুরুন্নবী শিমুল, রোড সেফটি এলায়েন্সের প্রতিনিধি আবদুল ওয়াহেদ, মোটর ড্রাইভিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল বাশার, শাহীন হোসেন মোল্লা ও সোনিয়া শিব্রা প্রমুখ।

 

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Khulnar Kagoj
ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট Shakil IT Park