সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপসায় বিদ্যুৎ স্পষ্টে একজনের মৃত্যু খালিশপুর থানা পুলিশের অভিযানে ১ টি ল্যাপটপ ও ক্যামেরা সহ চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার খেলা ধুলা শিক্ষার্থীদের মন ও শরীর দুটোই ভালো রাখে-ভূমিমন্ত্রী বাড়লো এলপিজির দাম অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকে অভিযান জোরদার হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী খুলনায় ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় মিথ্যা মানববন্ধন ও গায়েবী মামলার হুমকি রামপালে পুলিশের অভিযানে নারী মাদক কারবারি আটক খুলনার পাইকগাছায় বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস পালিত বাগেরহাটের রামপালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় ভোটার দিবস পালন খেলা ধুলা শিক্ষার্থীদের মন ও শরীর দুটোই ভালো রাখে-ভূমিমন্ত্রী

স্কুল ছাত্রী অপহরণ! মামলা হলেও আসামি গ্রেফতার নেই, নীরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার!

খুলনার কাগজ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২

বটিয়াঘাটা (খুলনা) প্রতিনিধি।।কন‍্যা অপহরণ মামলা করে নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছে রবিন্দ্রনাথ মিস্ত্রি সহ তার পরিবার। এদিকে মামলা হলেও আসামি গ্রেফতার করতে পারিনি পুলিশ। ফলে আসামিদের অব‍্যাহত হুমকির ভয়ে চরম মানবতায় জীবন যাপন করছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। সূত্রে প্রকাশ,বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালী ইউনিয়নের খড়িয়াল গ্রামের রবিন্দ্রনাথ মিস্ত্রি ও পূর্নিমা মিস্ত্রির কন্যা চন্দ্রিমা মিস্ত্রি (১৫) সুরখালী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রতিনিনের মতো ঘটনার দিন গত ৯ নভেম্বর ২২ তারিখ সে স্কুলে যায়। কিন্তু সে আর বাড়ি ফিরে আসেনা। চন্দ্রিমা মিস্ত্রিকে বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে তার পরিবার পায়না। পরে পুর্নিমা মিস্ত্রি

বটিয়াঘাটা থানায় বাদি হয়ে তার কন্যা নিখোঁজের একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যার নং- ৬৫৫।

পুলিশ তথ্য অনুসন্ধানে গিয়ে জানতে পারেন,চন্দ্রিমা মিস্ত্রি নিখোঁজ হয়নি। ঐদিন স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ডুমুরিয়া উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নের আকড়া গ্রামের তপন মন্ডলের ছেলে প্রীতম মন্ডল চন্দ্রিমা মিস্ত্রিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তখন চন্দ্রিমা’র মা পূর্নিমা মিস্ত্রি বাদি হয়ে প্রীতম মন্ডল,তপন মন্ডল ও আন্না মন্ডলকে আসামি করে বটিয়াঘাটা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পরেও আসামিরা প্রকাশ‍্য ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন, মামলার বাদী ও চন্দ্রিমা’র মা পুর্নিমা মিস্ত্রি।

রবিন্দ্রনাথ মিস্ত্রি বলেন,আমার মেয়েকে তারা অপহরণ করে কোথায় রেখেছে,তা আমরা বলতে পারছিনা। সে বেচে আছে কি জীবিত আছে সেই দুশ্চিন্তায় আমার স্ত্রী এখন পাগল পেরায়। তার শারীরিক অবস্থা ভালো না। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মোঃ মতিয়ার রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি শুধু দেখছি কি করা যায়, এসব বলে আমাদেরকে ঘুরাইতেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মতিয়ার রহমান বলেন, আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বটিয়াঘাটা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন,বিষয়টি দেখছি কি করা যায়। আসামী আটকের জন্য অভিযান অব‍্যাহত রয়েছে।

 

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Khulnar Kagoj
ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট Shakil IT Park