মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পুলিশ ও র‍্যাব এর যৌথ অভিযানে উদ্ধার হলো মহাসিন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের পূত্র শাফিন বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড আজ কেসিসির সাবেক কাউন্সিলর পিন্টুর বাসভবনে হামলার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে পানি সংরক্ষণের জলাধার বিতরণ খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা ছোট পর্দার অভিনেতা রুমির ইন্তেকাল প্রচণ্ড দাবদাহে খুলনায় কেএমপি কমিশনারের উদ্যোগে বিশুদ্ধ খাবার পানি, জুস ও স্যালাইন বিতরণ খুলনা আড়ংঘাটা বাইপাস আকমলের মোড়ে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার আইজিপি কাপ ক্রিকেটে পুলিশ স্টাফ কলেজ তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন এবং খুলনা রেঞ্জ রানার আপ

মৎস্য খামার মালিকদের সকল বঞ্চনা দুর করতে ৭ দফা দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান

খুলনার কাগজ
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২২

শাহজামান বাদশা//রপ্তানিযোগ্য মৎস্য চিংড়ী ও মৎস্যপোনা উৎপাদনকারী খামার মালিকদের বঞ্চনা দুর করতে ৭ দফা দাবীতে জেলা প্রশাসক দপ্তরে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী, মৎস্য মন্ত্রী, ও মৎস্য সচীব বরাবর।রোববার সকালে স্মারকলিপি প্রদান করেন ফিসফার্ম এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ফোয়াব) নেতৃবৃন্দ।

 

খুলনা,সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট এলাকা ৮০ এর দশকে এ চাষ শুরু হয়। যা গার্মেন্টসের পর রপ্তানিতে বিশেষ অবদান রাখছে। নানাবিধ কারণে এ খাতটি আজ প্রায় ধ্বংসের মুখোমুখি। খাতটি ধরে রাখতে ৭ দফা দবীতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ সেন্টিকেটের কারছে চিংড়ীর দাম আন্তর্জাতিক বাজার অপেক্ষা অর্ধেক দামে বিক্র হচ্ছে।ফলে ৩ লাখ মৎস্য ও চিংড়ী খামারি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ। আঁধা-নিবিড় পদ্ধতিতে চাষ করে প্রতিবছর হেক্টর প্রতি ৬ থেকে ১০ টন চিংড়ী উৎপাদন হচ্ছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা ও সঠিক নিয়ম কানুন থাকলে এ উৎপাদন ২০ থেকে ২৫ টনে উন্নীত করা সম্ভব বলে ফোয়াব নেতৃবৃন্দ জানান। দ্বিতীয় বৃহত্তম এ রপ্তানি খাত যাতে ধ্বংস না হয় এজন্য ৭ দফা দাবীতে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। তাহলো-(১) মৌসুমীর আপদকালীন সময় সরকারীভাবেরপ্তানিযোগ্য মাছ ও চিংড়ী খামারীদের নিকট থেকে কিনতে হবে।(২) আন্তর্জাতিক বাজারের মুল্য রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও মৎস্য অফিসের মাধ্যমে উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারদের নিয়ে নির্ধারণ করতে হবে। (৩)প্রক্রিয়াজাতকারী কারখানা যাতে পুশ চিংড়ি অশুভ সান্টিকেটের কাছ থেকে না কেনে সেজন্য শক্তিশালী মনিটারিং জোরদার করতে হবে।(৪) প্রক্রিয়াজাতও রপ্তানিকারক রপ্তানিতে প্রনোদনা,মাছ ও চিংড়ী ক্রয়ে স্বল্প সুদে ঋণ পায় তার সুব্যবস্থা করতে হবে।(৫) কৃষির ন্যায় এ সেক্টরে বিদ্যুৎ বিল সরবরাহ করতে হবে।(৬) রোগমুক্ত চিংড়ী পোনা সরবরাহ নিশ্চিৎ করতে ব্যবস্থা নিতে হবে।(৭) মৎস্য ও চিংড়ী রপ্তানিতে আইনী বাঁধা দুর করতে হবে।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Khulnar Kagoj
ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট Shakil IT Park