বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

বিমানের প্রশ্নফাঁস: গোয়েন্দা নজরদারিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

খুলনার কাগজ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২২

কাগজ ডেস্ক//বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। সম্প্রতি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ফের সমালোচনার মুখে পড়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সংস্থাটির ৯ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওর গাড়িচালকসহ অন্তত ২০ জন পলাতক।

গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বিমানের উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তা জড়িত। তাদের মধ্যে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও (অতিরিক্ত সচিব) মো. যাহিদ হোসেন সন্দেহের তালিকায় আছেন। এছাড়া নিয়োগ কমিটির আরও কয়েকজন সদস্য গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছেন। কারণ, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সহায়তা ছাড়া নিম্নপদের কর্মীদের পক্ষে প্রশ্নফাঁস সম্ভব নয়।

এর আগে পাইলট নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতি, হ্যাঙ্গারে দুই উড়োজাহাজের সংঘর্ষ, টিকিট সিন্ডিকেট, লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে অব্যস্থাপনা, উড়োজাহাজ লিজ দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। কিছুতেই যেন বিমানের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছিল না।

এর মধ্যে গত ২১ অক্টোবর বিকেল ৩টায় ১০ পদে জনবল নিয়োগের জন্য পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

পদগুলো হলো— জুনিয়র টেইলর কাম আপহোলস্টার, প্রি-প্রেস অ্যাসিস্ট্যান্ট, জুনিয়র এমটি মেকানিক, জুনিয়র এয়ারকন মেকানিক, জুনিয়র ওয়েল্ডার জিএসই, জুনিয়র পেইন্টার জিএসই, জুনিয়র মেকানিক (টায়ার) জিএসই, জুনিয়র মেকানিক জিএই (ক্যাজুয়াল), জুনিয়র ইলেকট্রিশিয়ান জিএসই (ক্যাজুয়াল) ও জুনিয়র অপারেটর জিএসই (ক্যাজুয়াল)।

তবে পরীক্ষা শুরুর ঘণ্টাখানেক আগে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। তখন পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয় বিমান কর্তৃপক্ষ। পরে পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উত্তরায় পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রার্থীরা।

 

 

 

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Khulnar Kagoj
ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট Shakil IT Park