বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাইকগাছায় বাল্য বিবাহ বন্ধ সহ অর্থ দন্ড প্রদান করেন-ইউএনও মাহেরা নাজনীন খুলনার গাইকুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার রামপালে উপজেলা নির্বাচনে ৩ পদে ১২ জনের মনোনয়নপত্র জমা পূত্র পাচারের অভিযেগে এক নারীর বিরুদ্ধে আড়ংঘাটা থানায় অভিযোগ দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের তীরভূমি দখলের মহোৎসব; নাব্যতা সঙ্কটের শংকা পাইকগাছায় ১ম ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ একাডেমির উদ্বোধন খুলনায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাঙালি জাতির শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রধান অঙ্গ পহেলা বৈশাখ : রাষ্ট্রপতি মুক্তিপণ পেয়ে জাহাজ ছাড়ে জলদস্যুরা, নাবিকরা সুস্থ : মালিক পক্ষ

বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে সাতক্ষীরা পৌর সভার গেটে তালা দিয়ে কর্মচারীদের অনশন

খুলনার কাগজ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।।বকেয়া চার মাসের বেতন ভাতার দাবিতে সাতক্ষীরা পৌরসভা ভবনের গেটে তালা লাগিয়ে অনশন কর্মসূচি পালন করেছে পানি শাখার কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার(২৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০ থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত টানা ৬ ঘন্টা চলে তাদওে এই অনশন কর্মসূচি। এতে করে বিপাকে পড়ে পৌরসভায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ।

অনশন কর্মসূচি চলাকালে পৗরসভার পানি শাখার কর্মচারীরা তাদের চার মাসের বকেয়া বেতনের পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে বেতন-ভাত দাবি জানান কর্মচারীরা। পরে সকল কাউন্সিলরদের আশ্বাসে পৌরসভার পানি শাখার কর্মচারীরা তাদের অনশন কর্মসূচি বন্ধ করেন।

 

পানি শাখার মিটার রিডার শহিদুল ইসলাম জানান, সাকল থেকে বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে আমরা অনশন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে আন্দোলন শুরু করি। বিকাল তিনটায় পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাজী ফিরোজ হোসেনের নেতৃত্বে সকল কাউন্সিলর আমাদের দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করেন এবং আমরা যাতে দ্রুত বকেয়া বেতন ভাতা পাই সেজন্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। আমরা তাদের আশ্বাসে অনশন কর্মসূচি স্থগিত করেছি।

পানি শাখার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মুদিখানার দোকান গুলোতে আমাদের হাজার হাজার টাকা বাকি হয়েছে। গত চার মাস ধরে মেয়র মহোদয় আমাদের বেতন ভাতা দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তিনি আমাদের বেতন ভাতা দিচ্ছেন না। তাই আজ বাধ্য হয়ে আমরা কর্ম বিরতি দিয়ে অনশন কর্মসুচি পালনের পাশাপাশি পৌরসভার গেটে তালা লাগিয়ে দিয়েছি।

আন্দোলনরত কর্মচারী বাবলু বলেন চারমাস বেতন বন্ধ থাকায় আমরা খুবই দুর্বিষহ জীবন যাপন করছি। বেতন না দেওয়া পর্যন্ত আমরা পানির পাম্প চালাবোনা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় সাতক্ষীরা পৌরসভার পানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিলো ১৯৯৮ সালে। কিন্তু বর্তমান বিদ্যুৎ বিলের সাথে পানির বিল সমন্বয় না করার কারণে পানি শাখার আয়ের চেয়ে খরচ বেশি হচ্ছে। বর্তমানে পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন শাখায় ৫ কোটি ৬২ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাজী ফিরোজ হোসেন বলেন, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মেয়র তাসকিন আহমেদ ৭৬ লক্ষ ৫৬ হাজার ৯’শ ২টাকার পানির বিল মওকুফ করেছেন। তাছাড়া বিদ্যুৎ বিলের সাথে পানির বিলের সমন্বয় না থাকার কারণে পানি শাখার এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, মেয়রের এমন নিয়ম বহির্ভূত কাজ ও পৌর সভার টাকা আত্মসাথের কারণে আমরা সকল কাউন্সিলর তার বিরুদ্ধে অনাস্থা দিয়েছে। আন্দোলনকারিদেরকে আমরা সমস্যার সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছি। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের সমস্যা সমাধান হবে।

এবিষয়ে জানতে সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতির সাথে মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Khulnar Kagoj
ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট Shakil IT Park