সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বটিয়াঘাটায় কৃষি ব্যাংক কর্তৃক গ্রাহক সেবা উন্নয়ন বিষয় মতবিনিময় সভা ইবাদত বন্দেগী আর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র শবে বরাত পালিত বাংলাদেশের বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন ৫০ নারী, গেজেট মঙ্গলবার পাইকগাছায় ৫০০’গ্রাম গাঁজা সহ আটক-২ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ফরহাদ সরদার রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত খুলনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান ভস্মীভূত কুরআন ও দ্বীনি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় মূল্যবোধের আদর্শ নাগরিক গড়ে তুলবে ; শেখ জুয়েল এমপি নগরীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত

ফের শুরু হচ্ছে করোনার বুস্টার ডোজ

খুলনার কাগজ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩

 

স্টাফ রিপোর্টার।।ফাইজারের নতুন ভ্যারিয়েন্ট কন্টেনিং ভ্যাকসিন (ভিসিভি) প্রয়োগের মাধ্যমে এক বছরের বেশি সময় পর আবার কোভিড-১৯ টিকার বুস্টার ডোজ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এক সপ্তাহের মধ্যে এ টিকার মাধ্যমে তৃতীয় ও চতুর্থ বুস্টার ডোজ প্রয়োগ শুরু হবে। টিকার বৈশ্বিক জোট কোভ্যাক্সের আওতায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছ থেকে ফাইজারের এ টিকার ৩০ লাখ ডোজ পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার (২৯ মে) সচিবালয়ে এ-সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ’নতুন উদ্ভাবিত এ টিকা বিভিন্ন দেশে দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয় ও চতুর্থ বুস্টার ডোজ হিসেবে এ টিকা প্রয়োগ করা হবে। এ টিকার ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে।‘

 

বুস্টার ডোজের অগ্রাধিকার কারা পাবেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘১৮ বছরের ওপরের বয়সিরা তৃতীয় ডোজ পাবেন। এ ছাড়া ক্রনিক রোগী, প্রসূতি ও সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে কাজ করা ব্যক্তিরা চতুর্থ ডোজের টিকা পাবেন।‘

টিকাদানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে জাহিদ মালেক বলেন, ’এ পর্যন্ত প্রায় ৩৬ কোটির বেশি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ ৮৮ শতাংশ, দ্বিতীয় ডোজ ৮২ শতাংশ এবং তৃতীয় ডোজ ৪০ শতাংশ দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে গড়ে ৮৫-৯০ শতাংশ মানুষ টিকা পেয়েছে। বিশ্বে এই হার ৭২ শতাংশ।

করোনার সংক্রমণ আবারও কিছুটা বাড়লে মারাত্মক আকার ধারণ করার শঙ্কা নেই উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ’সম্প্রতি জেনেভা সফরে গিয়ে তিনি দেখেছেন, সেখানে মানুষ মাস্ক ব্যবহার করছে না। কিছু মানুষ সেখানেও আক্রান্ত হচ্ছে। বাংলাদেশেও একইভাবে দুয়েকজন আক্রান্ত হচ্ছে। কয়েক দিন ধরে রোগী বাড়লেও হাসপাতালে তেমন ভর্তি হতে হচ্ছে না। কারণ অধিকাংশ মানুষ টিকা পেয়েছে। এ কারণে আক্রান্ত হলেও তাদের হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে না।’ এরপরও সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। সংক্রমণ প্রতিরোধে পরের বছরের ফেব্রুয়ারিতে সারা দেশে কোভিড টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হয়। বাংলাদেশ টিকা ক্রয়ের পাশাপাশি কোভ্যাক্সের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা পেয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে ৩৬ কোটি ডোজের বেশি টিকা প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু মজুদ না থাকায় তৃতীয় ও চতুর্থ ডোজ দেওয়া গত বছরের মার্চ মাসে স্থগিত করে স্বাস্থ্য বিভাগ। আবারও বুস্টার ডোজের টিকা প্রয়োগ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার।

 

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Khulnar Kagoj
ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট Shakil IT Park